নতুন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড স্টেডিয়ামের উদ্বোধনে থাকতে চান ফার্গুসন—‘শরীরে না থাকলেও আত্মায়’
- 1
এক গোল, দুই অ্যাসিস্টে আন্তর্জাতিক বিদায় রাঙালেন মেসি
- 2
মেসির বিদায়ে আপ্লুত নেইমার, ‘তোমার সঙ্গে ইতিহাসের অংশ হতে পারা সম্মানের’
- 3
‘আমরা নিঃশেষ হয়ে গিয়েছিলাম’, বিশ্বকাপ ফাইনালে হার নিয়ে মুখ খুললেন মেসি
- 4
এক রকেটে ১৫ স্যাটেলাইট, মহাকাশে নতুন রেকর্ড গড়ল দক্ষিণ কোরিয়া
- 5
ডোসায় মৃত ইঁদুরের অভিযোগ, এরপরই ২৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ—মুম্বাইয়ে চাঞ্চল্য

নতুন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড স্টেডিয়ামের উদ্বোধনে থাকতে চান ফার্গুসন—‘শরীরে না থাকলেও আত্মায়’
নতুন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড স্টেডিয়ামের উদ্বোধনে থাকতে চান ফার্গুসন—‘শরীরে না থাকলেও আত্মায়’
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের নতুন স্টেডিয়ামের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি সশরীরে থাকবেন কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসনের। তবে একটি বিষয়ে নিশ্চিত এই কিংবদন্তি কোচ—শরীরে উপস্থিত থাকতে না পারলেও আত্মার মাধ্যমে তিনি থাকবেন সেই বিশেষ দিনে।
৮৪ বছর বয়সী ফার্গুসন নিজের নতুন বই Games of My Life-এ জীবনের শেষ অধ্যায়, মৃত্যু এবং ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের নতুন স্টেডিয়াম নিয়ে এমন আবেগঘন ভাবনার কথা লিখেছেন। বইটি প্রকাশিত হয়েছে ৮ অক্টোবর।
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ২০২৫ সালে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ১ লাখ আসনের একটি নতুন স্টেডিয়াম নির্মাণের পরিকল্পনা প্রকাশ করে। প্রকল্পটি শেষ হতে প্রায় পাঁচ থেকে ছয় বছর সময় লাগতে পারে।
নতুন স্টেডিয়ামের উদ্বোধন পর্যন্ত তিনি বেঁচে থাকবেন কি না—এই প্রশ্নই নিজের মনে জেগেছিল ফার্গুসনের। বইয়ে তিনি লিখেছেন, ‘আমার অনেক কিছু করার আছে, অনেক মানুষের সঙ্গে সময় কাটাতে চাই।’
এরপরই উঠে আসে মৃত্যুর প্রসঙ্গ। ফার্গুসন লিখেছেন, স্রষ্টা তার জন্য কী ঠিক করে রেখেছেন, তা নিয়ে তিনি পড়ে থাকতে চান না। মৃত্যুকেও ভয় পান না তিনি। বরং জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত থেকে যতটা সম্ভব বেশি কিছু নেওয়ার দিকেই তার আগ্রহ বেশি।
নতুন স্টেডিয়ামের প্রসঙ্গ টেনে ফার্গুসন লিখেছেন, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড যখন ওল্ড ট্রাফোর্ডের পরিবর্তে নতুন একটি স্টেডিয়াম নির্মাণের পরিকল্পনা ঘোষণা করে, তখন তার মনে প্রশ্ন জাগে—উদ্বোধনের সময় তিনি সেখানে থাকতে পারবেন কি না।
নির্মাণকাজ দ্রুত শুরুর প্রত্যাশাও জানিয়েছেন তিনি। কারণ, পাঁচ বছর সময় লাগলে উদ্বোধনের সময় তার বয়স ৯০ ছুঁইছুঁই হবে।
তবে শেষ পর্যন্ত নিজের উপস্থিতি নিয়ে আত্মবিশ্বাসী ফার্গুসন। তার ভাষায়, ‘যেকোনোভাবেই হোক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আমি থাকব—শরীরে হোক কিংবা আত্মার মাধ্যমে।’
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সঙ্গে ফার্গুসনের সম্পর্ক প্রায় চার দশকের। ১৯৮৬ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ক্লাবটির প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। তার অধীনে ইউনাইটেড জেতে ১৩টি ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ, দুটি উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ ও একটি ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপসহ মোট ৩৮টি ট্রফি।
ওল্ড ট্রাফোর্ডের সঙ্গে ফার্গুসনের অসংখ্য স্মৃতি জড়িয়ে থাকলেও নতুন স্টেডিয়ামও হয়তো তার ফুটবল জীবনের আরেকটি অধ্যায়ের প্রতীক হয়ে উঠবে। তিনি উদ্বোধনের দিন সশরীরে থাকুন কিংবা না থাকুন, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ইতিহাসে তার উপস্থিতি যে অমলিন থাকবে, সেটিই যেন তার কথাগুলোতে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।














