তুরস্ককে আবার হারিয়ে দুইয়ে ইতালি
- 1
বাংলাদেশ ভ্রমণ ম্যাপ, আমার বাংলাদেশ। যেভাবে বানাবেন ভ্রমণ ম্যাপের ছবি
- 2
প্রীতম–শেহতাজের বিবাহবিচ্ছেদ, জানালেন আলাদা হওয়ার কারণ
- 3
রিবাকিনার পর সাবালেঙ্কাকেও হারালেন বার্তুনকোভা, চায়না ওপেনে বড় অঘটন
- 4
২০ বছরের ক্যারিয়ারে প্রথমবার লজ্জিত মদ্রিচ, ইংল্যান্ডের কাছে ৭-০ গোলে বিধ্বস্ত ক্রোয়েশিয়া
- 5
রোনালদোর জন্য জাতীয় দলের দরজা খোলা, বললেন পর্তুগাল কোচ

তুরস্ককে আবার হারিয়ে দুইয়ে ইতালি
তুরস্ককে আবার হারিয়ে দুইয়ে ইতালি
উয়েফা নেশন্স লিগে তুরস্ককে আবারও হারাল ইতালি। বোলোনিয়ায় সোমবার ‘এ’ লিগের এক নম্বর গ্রুপের ম্যাচে ৩-১ গোলে জিতেছে স্বাগতিকরা। এই জয়ে চার ম্যাচে দুই জয় ও এক ড্রয়ে ৭ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে ইতালি।
ইতালির হয়ে গোল করেন জানলুকা স্কামাক্কা, রিকার্দো কালাফিওরি ও পিও এস্পোজিতো। তুরস্কের একমাত্র গোলটি করেন আরাল শিমশির।
আত্মবিশ্বাসী শুরু করেছিল তুরস্ক। ম্যাচের প্রথম চার মিনিটেই তারা তিনটি সুযোগ তৈরি করে। তবে ইতালির গোলরক্ষক জানলুইজি দোন্নারুম্মাকে পরাস্ত করতে পারেনি সফরকারীরা।
১৩তম মিনিটে ওজান কাবাকের দূরপাল্লার শট দারুণ ক্ষিপ্রতায় ঠেকিয়ে দেন দোন্নারুম্মা। তিন মিনিট পর সালিহ ওজকানের শটও রুখে দেন তিনি। পরের মিনিটে অরক্ষিত অবস্থায় আরাল শিমশির হেড নিলেও সেটিও সামলে নেন ইতালিয়ান গোলরক্ষক।
২৬তম মিনিটে ম্যাচের প্রথম বড় সুযোগ থেকেই এগিয়ে যায় ইতালি। ডান দিক থেকে আসা ক্রসে প্রতিপক্ষের এক খেলোয়াড়ের গায়ে লেগে বল পেয়ে যান জানলুকা স্কামাক্কা। সেখান থেকেই তাঁর নেওয়া শট ক্রসবারে লেগে জালে জড়ায়।
জাতীয় দলের হয়ে এটি স্কামাক্কার দ্বিতীয় গোল। এর আগে ২০২৩ সালের অক্টোবরে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ইউরো বাছাইয়ে প্রথম গোলটি করেছিলেন তিনি।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেও সমতা ফেরানোর সুযোগ পায় তুরস্ক। ৫৪তম মিনিটে অরক্ষিত অবস্থায় শিমশিরের হেড ইতালির রক্ষণে প্রতিহত হয়। চার মিনিট পর ইতালিও ব্যবধান বাড়ানোর চেষ্টা করে, তবে ইসা দুম্বিয়ার শট ঠেকিয়ে দেন তুরস্কের গোলরক্ষক।
শেষ পর্যন্ত ৬১তম মিনিটে সমতায় ফেরে তুরস্ক। সতীর্থের ব্যাকহিল পাস পেয়ে গোলমুখে ফাঁকা জায়গায় বল পান শিমশির। সেখান থেকে সহজেই জালে পাঠান তিনি।
জাতীয় দলের হয়ে নিজের দ্বিতীয় ম্যাচে এবং প্রথমবার শুরুর একাদশে সুযোগ পেয়েই গোলের খাতা খুললেন এই উইঙ্গার।
তবে সমতা বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি তুরস্ক। ৬৪তম মিনিটে ডান দিক থেকে নিকোলো বারেল্লার নেওয়া ফ্রি-কিক ক্রস থেকে লাফিয়ে কোনাকুনি হেডে গোল করেন রিকার্দো কালাফিওরি। জাতীয় দলের জার্সিতে ১৭ ম্যাচে এটিই তাঁর প্রথম গোল।
৭৮তম মিনিটে আবারও সমতায় ফেরার সুযোগ তৈরি করে তুরস্ক। সালিহ ওজকানের জোরালো শট দুর্দান্ত ক্ষিপ্রতায় বাইরে পাঠিয়ে দেন দোন্নারুম্মা।
নির্ধারিত সময়ের তিন মিনিট আগে ইতালির জয় নিশ্চিত করেন পিও এস্পোজিতো। আলেস্সান্দ্রো রোমানোর শট প্রায় লক্ষ্যেই ছিল, তবে মাঝপথে পা বাড়িয়ে বলের দিক পাল্টে দেন ২১ বছর বয়সী এই স্ট্রাইকার। তুরস্কের বিপক্ষে আগের ম্যাচেও গোল করেছিলেন তিনি।
এই জয়ে চার ম্যাচে ৭ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের দ্বিতীয় স্থানে থাকল ইতালি। একই সময়ে হওয়া অন্য ম্যাচে বেলজিয়ামকে ৪-১ গোলে হারিয়েছে ফ্রান্স। তিন জয় ও এক ড্রয়ে ১০ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে ফরাসিরা। বেলজিয়ামের পয়েন্ট ৬।
অন্যদিকে, চার ম্যাচ শেষে কোনো পয়েন্ট না পাওয়া তুরস্কের কোয়ার্টার-ফাইনালে ওঠার আশা শেষ হয়ে গেছে।
ইতালির ডাগআউটে দ্বিতীয় মেয়াদে ফেরার পর ঘরের মাঠে এটি ছিল রবের্তো মানচিনির প্রথম জয়।













