সিটির সাতে সাত, মারেসকার অনন্য কীর্তি

সিটির সাতে সাত, মারেসকার অনন্য কীর্তি
সিটির সাতে সাত, মারেসকার অনন্য কীর্তি
নবাগত ইপসউইচ টাউনের বিপক্ষে ম্যানচেস্টার সিটির জয় নিয়ে সংশয় ছিল খুব কমই। ইতিহাদ স্টেডিয়ামে শেষ পর্যন্ত প্রত্যাশিত ফলই পেয়েছে পেপ গার্দিওলার দল। আর্লিং হলান্ডের জোড়া গোলে ইপসউইচকে ৩–২ ব্যবধানে হারিয়ে প্রিমিয়ার লিগে টানা সপ্তম জয় তুলে নিয়েছে সিটি।
প্রথমার্ধের ৩৪ মিনিটে নিজের প্রথম গোল করে সিটিকে ২–১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন হলান্ড। দ্বিতীয়ার্ধে ৬৯ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করে ব্যবধান ৩–১ করেন নরওয়েজিয়ান স্ট্রাইকার। এরপর দারুণ এক অ্যাক্রোবেটিক শটে হ্যাটট্রিকও পূর্ণ করেছিলেন হলান্ড। তবে আক্রমণের শুরুতে এনজো ফার্নান্দেজ অফসাইডে থাকায় গোলটি বাতিল হয়ে যায়।
শেষ দিকে ম্যাচে ফেরার আশা জাগায় ইপসউইচ। ৯০ মিনিটে মার্ক গেহি আবদুল ফাতাওকে ফাউল করলে পেনাল্টি পায় সফরকারীরা। স্পটকিক থেকে গোল করে ব্যবধান ৩–২ করেন জিয়ান ফ্লেমিং। যোগ করা ১২ মিনিটেও আর গোল না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত পূর্ণ তিন পয়েন্ট নিয়েই মাঠ ছাড়ে ম্যানচেস্টার সিটি।
এই জয়ে প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে মৌসুমের প্রথম সাত ম্যাচ জেতা তৃতীয় দল হলো সিটি। এর আগে ২০০৫–০৬ মৌসুমে চেলসি এবং ২০১৯–২০ মৌসুমে লিভারপুল এই কীর্তি গড়েছিল।
তবে ব্যক্তিগতভাবে আরও অনন্য রেকর্ড গড়েছেন কোচ এনজো মারেসকা। প্রিমিয়ার লিগে কোনো ক্লাবের দায়িত্ব নিয়ে নিজের প্রথম সাত ম্যাচেই জয় পাওয়া প্রথম কোচ হিসেবে ইতিহাসে নাম লিখিয়েছেন তিনি।
এদিকে একই সময়ে অনুষ্ঠিত অন্য ম্যাচে ব্রেন্টফোর্ডকে ২–১ গোলে হারিয়েছে লিভারপুল। ৪৪ মিনিটে লুইস-পটারের গোলে এগিয়ে যায় ব্রেন্টফোর্ড। তবে দ্বিতীয়ার্ধে মুনোজ ও ইসাকের গোলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় লিভারপুল।
ম্যাচটিতে ব্রেন্টফোর্ডের দুই খেলোয়াড় লাল কার্ড দেখেন। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে ইয়ামোলিউক এবং দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ে জানেল্ট মাঠ ছাড়েন। শেষ পর্যন্ত নয়জনের দল নিয়ে লিভারপুলের কাছে হার এড়াতে পারেনি ব্রেন্টফোর্ড।
সাত ম্যাচ শেষে ম্যানচেস্টার সিটি পূর্ণ ২১ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে রয়েছে। অন্যদিকে লিভারপুলের সংগ্রহ ১২ পয়েন্ট, যা তাদের তালিকার পঞ্চম স্থানে রেখেছে।











