মার্কিন হামলার আশঙ্কায় বড় পাল্টা-আঘাতের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান
- 1
মেসিবিহীন নতুন যুগে ৪-০ গোলের জয়, আর্জেন্টিনার দুর্দান্ত শুরু
- 2
এক ওয়ানডেতে পাঁচ সেঞ্চুরি, ৫৫ বছরের ইতিহাসে প্রথমবার বিশ্ব রেকর্ড
- 3
রোনালদো-জেসুসের দ্বন্দ্ব মেটাতে ডেনমার্কে পর্তুগাল সভাপতি
- 4
গিলের ২২৩*, ৩৯ বল হাতে ৪০৬ রান তাড়া—রেকর্ড বই ওলট-পালট ভারতের
- 5
পর্তুগালের ক্যাম্প ছাড়লেন রোনালদো, ‘সময়মতো সত্যিটা জানাব’

মার্কিন হামলার আশঙ্কায় বড় পাল্টা-আঘাতের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান
মার্কিন হামলার আশঙ্কায় বড় পাল্টা-আঘাতের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান
যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে বড় পরিসরে সামরিক অভিযান শুরু করলে আগের তুলনায় আরও বিস্তৃত ও শক্তিশালী পাল্টা-আঘাত হানার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান। একই সঙ্গে সংঘাত যাতে আরও ছড়িয়ে না পড়ে, সে জন্য কূটনৈতিক যোগাযোগও চালিয়ে যাচ্ছে তেহরান।
আলোচনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক ব্যক্তি এবং ইরানের তিন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার বরাতে জানা গেছে, সম্ভাব্য মার্কিন হামলার জবাব কীভাবে দেওয়া হবে, তা নিয়ে দেশটির সামরিক কমান্ডাররা নতুন পরিকল্পনা পর্যালোচনা করছেন।
পরিকল্পনায় শুধু যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি সংশ্লিষ্ট সামরিক স্থাপনাগুলো নয়, মার্কিন সামরিক অভিযানকে সমর্থনকারী দেশগুলোর কিছু স্থাপনাকেও সম্ভাব্য লক্ষ্য হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। এমনকি মধ্যপ্রাচ্যের বাইরের কিছু স্থানও পরিকল্পনার আওতায় আসতে পারে বলে জানা গেছে।
মিত্র গোষ্ঠীগুলোকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ
ইরানের দুই কর্মকর্তা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে বড় ধরনের হামলা চালালে তেহরানকে সহায়তার জন্য লেবানন, ইয়েমেন ও ইরাকে থাকা ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, সম্ভাব্য পাল্টা জবাবের পরিধি হরমুজ প্রণালি থেকে শুরু করে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন স্থানে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থসংশ্লিষ্ট লক্ষ্যবস্তু এবং এর বাইরের কিছু স্থান পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে।
তবে এসব পরিকল্পনা নিয়ে ইরানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি। রয়টার্সের পক্ষ থেকে মন্তব্য চাওয়া হলেও ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো জবাব দেয়নি।
সংঘাত ছড়ানোর ঝুঁকি
ইরানের নেতৃত্বের মধ্যে এমন ধারণা জোরালো হচ্ছে যে যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে সামরিক অভিযান শুরু করলে এবার আগের চেয়ে কঠোর প্রতিক্রিয়া দেখানো প্রয়োজন। তবে একই সঙ্গে সংঘাতকে আরও বিস্তৃত আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নেওয়া থেকে ঠেকাতে কূটনৈতিক পথ খোলা রাখার চেষ্টা করছে তেহরান।
ইরানি কর্মকর্তারা ব্যক্তিগত আলোচনায় কূটনৈতিক উদ্যোগ সফল হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করলেও আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা বলছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ চাপও বিবেচনায় তেহরানের
দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য কী ধরনের রাজনৈতিক চাপ তৈরি করতে পারে, সেটিও তেহরান বিবেচনায় রাখছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্রে যুদ্ধের জনসমর্থন, জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি এবং সামনে থাকা মধ্যবর্তী নির্বাচন—এসব বিষয়ও ইরানের হিসাবের অংশ বলে জানা গেছে।
ফলে একদিকে সম্ভাব্য মার্কিন সামরিক অভিযানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের প্রতিক্রিয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান, অন্যদিকে সংঘাত নিয়ন্ত্রণে কূটনৈতিক প্রচেষ্টাও চালিয়ে যাচ্ছে দেশটি।














