অলরাউন্ড সাকিব ও হৃদয়ের কার্যকর ইনিংসে ক্যান্ডিকে হারিয়ে জাফনার জয়
- 1
মারায়া কেরিকে পেছনে ফেলে বিলবোর্ডে নতুন রেকর্ড এলা ল্যাংলির
- 2
ভারতের সবচেয়ে ধনী অভিনেতা শাহরুখ খান, সম্পদের পরিমাণ ১০ হাজার কোটি রুপি
- 3
সাঁতারে ১৭ বছরেই বিশ্ব রেকর্ড, এশিয়ান গেমসে ইতিহাস গড়লেন জাপানের শিন ওহাশি
- 4
মুশতাকের বিশ্বাস, ‘ভালো ক্রিকেট খেললে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল কেন নয়?’
- 5
এক মুহূর্তেই শেষ মেসির বিদায়ী ম্যাচের টিকিট

অলরাউন্ড সাকিব ও হৃদয়ের কার্যকর ইনিংসে ক্যান্ডিকে হারিয়ে জাফনার জয়
অলরাউন্ড সাকিব ও হৃদয়ের কার্যকর ইনিংসে ক্যান্ডিকে হারিয়ে জাফনার জয়
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে দুর্দান্ত ছন্দ ধরে রেখেছে জাফনা কিংস। পাল্লেকেলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রানের বন্যা ছড়ানো এক ম্যাচে ক্যান্ডি রয়্যালসকে ২১ রানে হারিয়ে আরও একটি জয় তুলে নিয়েছে তারা। জাফনার এই সাফল্যে ব্যাট ও বল হাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন বাংলাদেশের দুই তারকা সাকিব আল হাসান ও তাওহীদ হৃদয়।
টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করার সুযোগ পেয়ে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ২২১ রানের বড় স্কোর গড়ে জাফনা। শুরুতে কামিল মিশারার ৪৯ ও আবিষ্কা ফার্নান্দোর ৩৬ রানের ইনিংস দলকে ভালো ভিত্তি এনে দেয়। এরপর মিডল অর্ডারে এসে রান তোলার গতি ধরে রাখেন তাওহীদ হৃদয় ও সাকিব আল হাসান। চার নম্বরে ব্যাট করতে নেমে হৃদয় ১৬ বলে ২১ রান করেন। তার ইনিংসে ছিল একটি করে চার ও ছক্কা, স্ট্রাইক রেট ছিল ১৩১.২৫।
ইনিংসের শেষদিকে সাকিবও রাখেন কার্যকর অবদান। ১৬ বল মোকাবিলা করে একটি চার ও একটি ছক্কার সাহায্যে ২২ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। তবে জাফনার স্কোরকে ২০০ পেরিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ঝড়টি আসে চামিন্দু বিক্রমাসিংহের ব্যাট থেকে। মাত্র ১৫ বলে ৪৩ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলে দলের সংগ্রহকে নিয়ে যান ২২১-এ।
জয়ের জন্য ২২২ রানের লক্ষ্য পেয়ে ক্যান্ডি রয়্যালসও কম যায়নি। তবে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সাকিবের আঘাতে তাদের রান তাড়ার গতি বারবার থেমে যায়। লাহিরু উদারা ৩০, কুশল পেরেরা ১৬ এবং ক্যান্ডির অধিনায়ক ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা ২৪ রান করে ফিরলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ জাফনার হাতে চলে আসে।
চার ওভার বল করে ৪৩ রানের বিনিময়ে ৩ উইকেট শিকার করেন সাকিব। তার সঙ্গে স্পিন আক্রমণে দারুণ কার্যকর ছিলেন দুনিথ ওয়েলালাগেও—মাত্র ১১ রান দিয়ে নেন ৩ উইকেট। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারের কোটা পূর্ণ হওয়ার পর ২০০ রানেই গুটিয়ে যায় ক্যান্ডি রয়্যালস।
ব্যাট হাতে গুরুত্বপূর্ণ ২২ রানের পর বল হাতে তিন উইকেট—সাকিবের পারফরম্যান্সে ছিল পূর্ণাঙ্গ অলরাউন্ডারের ছাপ। অন্যদিকে, মাঝের ওভারে হৃদয়ের দ্রুতগতির ২১ রান জাফনার ইনিংসে যোগ করে প্রয়োজনীয় গতি। দুই বাংলাদেশি ক্রিকেটারের কার্যকর পারফরম্যান্সে ভর করে এলপিএলে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ জয় নিশ্চিত করল জাফনা কিংস।















