রোনালদো-প্যালাসিওসের ঝামেলার নতুন পর্ব, এবার ৪-০ গোলে বিধ্বস্ত আল নাসর
- 1
বায়ার্নেই থাকতে চান হ্যারি কেইন, নতুন চুক্তির পথে বড় অগ্রগতি
- 2
রোনালদোর মতো ৪১ বছর পর্যন্ত ফ্রান্সে খেলা সম্ভব নয়: এমবাপ্পে
- 3
মারায়া কেরিকে পেছনে ফেলে বিলবোর্ডে নতুন রেকর্ড এলা ল্যাংলির
- 4
সাঁতারে ১৭ বছরেই বিশ্ব রেকর্ড, এশিয়ান গেমসে ইতিহাস গড়লেন জাপানের শিন ওহাশি
- 5
ভারতের সবচেয়ে ধনী অভিনেতা শাহরুখ খান, সম্পদের পরিমাণ ১০ হাজার কোটি রুপি

রোনালদো-প্যালাসিওসের ঝামেলার নতুন পর্ব, এবার ৪-০ গোলে বিধ্বস্ত আল নাসর
রোনালদো-প্যালাসিওসের ঝামেলার নতুন পর্ব, এবার ৪-০ গোলে বিধ্বস্ত আল নাসর
ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো ও মাতিয়াস প্যালাসিওসের দ্বন্দ্ব নতুন নয়। ২০২৪ সালের নভেম্বরে এএফসি চ্যাম্পিয়নস লিগে প্রথমবার দুজনের মধ্যে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। এবার একই প্রতিযোগিতায় আল আইনের মাঠে দেখা গেল সেই দ্বন্দ্বের নতুন পর্ব।
সেবার কর্নার থেকে বল দখলের লড়াইয়ে দুজনের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়েছিল। একপর্যায়ে মাটিতে পড়ে গিয়ে প্যালাসিওসের গলা চেপে ধরেছিলেন রোনালদো। পরে রেফারির কাছে রোনালদোর বিরুদ্ধে কনুই দিয়ে আঘাতের অভিযোগ করেছিলেন আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার। তবে সেই ঘটনায় রোনালদোর বিপক্ষে ফাউল দেওয়া হয়নি, বরং প্যালাসিওসই দেখেছিলেন হলুদ কার্ড। ম্যাচটিতে রোনালদো গোল করেছিলেন এবং আল নাসর জিতেছিল ৫-১ ব্যবধানে।
এবার অবশ্য চিত্রটা ছিল পুরোপুরি ভিন্ন।
৪-০ গোলে হেরে গেল আল নাসর
এএফসি চ্যাম্পিয়নস লিগের গ্রুপ পর্বে আল আইনের মাঠে মুখোমুখি হয়েছিল দুই দল। ম্যাচে স্বাগতিকদের কাছে ৪-০ গোলে হেরেছে আল নাসর। সৌদি ক্লাবটিতে যোগ দেওয়ার পর এটিই রোনালদোর সবচেয়ে বড় ব্যবধানের হার।
ম্যাচে আল আইন ২-০ গোলে এগিয়ে থাকার সময় বাঁ প্রান্ত থেকে আসা ক্রসের অপেক্ষায় স্বাগতিকদের বক্সে ঢুকছিলেন রোনালদো। তখন তাঁকে আটকানোর চেষ্টা করেন প্যালাসিওস। দুজনের শারীরিক লড়াইয়ের একপর্যায়ে রোনালদোর কনুইয়ের চাপে মাটিতে পড়ে যান আল আইন মিডফিল্ডার। রোনালদোও পড়ে যান। এরপর দুজনের মধ্যে শুরু হয় কথাকাটাকাটি।
বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্যালাসিওস পরে দাবি করেন, তিনি রোনালদোকে শুধু তাঁর বয়সের কথা মনে করিয়ে দিয়ে বলেছিলেন যে বলের দখল তিনিই আগে পাবেন। এরপরই দুজনের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়ে।
গোলের দেখা পাননি রোনালদো
ম্যাচে গোলের সুযোগ খুব বেশি তৈরি করতে পারেননি রোনালদো। ফ্রি-কিক থেকেও সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি। পুরো ম্যাচে তাঁর নেওয়া শটের সংখ্যা ছিল মাত্র তিনটি।
ফলে তাঁর ক্যারিয়ারের ৯৭৯ গোলের পরিসংখ্যানেও যোগ হয়নি নতুন কোনো গোল।
২০২৩ সালের জানুয়ারিতে আল নাসরে অভিষেকের পর দলটির হয়ে এমন বড় ব্যবধানের হার এবারই প্রথম দেখলেন রোনালদো। এর আগে ২০২২ সালে ব্রেন্টফোর্ডের বিপক্ষে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ৪-০ গোলের হারও তাঁর ক্যারিয়ারের বড় পরাজয়গুলোর একটি ছিল।
ক্লাব ক্যারিয়ারে আরও বড় ব্যবধানে হারের নজির
তবে ক্লাব ক্যারিয়ারে রোনালদোর সবচেয়ে বড় ব্যবধানের হার শুধু আল নাসরের হয়েই নয়। ট্রান্সফারমার্কেটের তথ্য অনুযায়ী, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও রিয়াল মাদ্রিদের হয়েও বড় ব্যবধানে হেরেছেন তিনি।
২০২১ সালে প্রিমিয়ার লিগে লিভারপুলের কাছে ৫-০ গোলে হেরেছিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। এরও আগে ২০১০ সালে লা লিগায় বার্সেলোনার কাছে একই ব্যবধানে ৫-০ গোলে হেরেছিল রিয়াল মাদ্রিদ।
আল আইনের বিপক্ষে ৪-০ হারের রাতে তাই ব্যক্তিগতভাবে গোলহীন থাকার পাশাপাশি রোনালদো দেখলেন আল নাসরে যোগ দেওয়ার পর নিজের সবচেয়ে বড় ব্যবধানের পরাজয়ও।ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো ও মাতিয়াস প্যালাসিওসের দ্বন্দ্ব নতুন নয়। ২০২৪ সালের নভেম্বরে এএফসি চ্যাম্পিয়নস লিগে প্রথমবার দুজনের মধ্যে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। এবার একই প্রতিযোগিতায় আল আইনের মাঠে দেখা গেল সেই দ্বন্দ্বের নতুন পর্ব।
সেবার কর্নার থেকে বল দখলের লড়াইয়ে দুজনের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়েছিল। একপর্যায়ে মাটিতে পড়ে গিয়ে প্যালাসিওসের গলা চেপে ধরেছিলেন রোনালদো। পরে রেফারির কাছে রোনালদোর বিরুদ্ধে কনুই দিয়ে আঘাতের অভিযোগ করেছিলেন আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার। তবে সেই ঘটনায় রোনালদোর বিপক্ষে ফাউল দেওয়া হয়নি, বরং প্যালাসিওসই দেখেছিলেন হলুদ কার্ড। ম্যাচটিতে রোনালদো গোল করেছিলেন এবং আল নাসর জিতেছিল ৫-১ ব্যবধানে।
এবার অবশ্য চিত্রটা ছিল পুরোপুরি ভিন্ন।
৪-০ গোলে হেরে গেল আল নাসর
এএফসি চ্যাম্পিয়নস লিগের গ্রুপ পর্বে আল আইনের মাঠে মুখোমুখি হয়েছিল দুই দল। ম্যাচে স্বাগতিকদের কাছে ৪-০ গোলে হেরেছে আল নাসর। সৌদি ক্লাবটিতে যোগ দেওয়ার পর এটিই রোনালদোর সবচেয়ে বড় ব্যবধানের হার।
ম্যাচে আল আইন ২-০ গোলে এগিয়ে থাকার সময় বাঁ প্রান্ত থেকে আসা ক্রসের অপেক্ষায় স্বাগতিকদের বক্সে ঢুকছিলেন রোনালদো। তখন তাঁকে আটকানোর চেষ্টা করেন প্যালাসিওস। দুজনের শারীরিক লড়াইয়ের একপর্যায়ে রোনালদোর কনুইয়ের চাপে মাটিতে পড়ে যান আল আইন মিডফিল্ডার। রোনালদোও পড়ে যান। এরপর দুজনের মধ্যে শুরু হয় কথাকাটাকাটি।
বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্যালাসিওস পরে দাবি করেন, তিনি রোনালদোকে শুধু তাঁর বয়সের কথা মনে করিয়ে দিয়ে বলেছিলেন যে বলের দখল তিনিই আগে পাবেন। এরপরই দুজনের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়ে।
গোলের দেখা পাননি রোনালদো
ম্যাচে গোলের সুযোগ খুব বেশি তৈরি করতে পারেননি রোনালদো। ফ্রি-কিক থেকেও সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি। পুরো ম্যাচে তাঁর নেওয়া শটের সংখ্যা ছিল মাত্র তিনটি।
ফলে তাঁর ক্যারিয়ারের ৯৭৯ গোলের পরিসংখ্যানেও যোগ হয়নি নতুন কোনো গোল।
২০২৩ সালের জানুয়ারিতে আল নাসরে অভিষেকের পর দলটির হয়ে এমন বড় ব্যবধানের হার এবারই প্রথম দেখলেন রোনালদো। এর আগে ২০২২ সালে ব্রেন্টফোর্ডের বিপক্ষে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ৪-০ গোলের হারও তাঁর ক্যারিয়ারের বড় পরাজয়গুলোর একটি ছিল।
ক্লাব ক্যারিয়ারে আরও বড় ব্যবধানে হারের নজির
তবে ক্লাব ক্যারিয়ারে রোনালদোর সবচেয়ে বড় ব্যবধানের হার শুধু আল নাসরের হয়েই নয়। ট্রান্সফারমার্কেটের তথ্য অনুযায়ী, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও রিয়াল মাদ্রিদের হয়েও বড় ব্যবধানে হেরেছেন তিনি।
২০২১ সালে প্রিমিয়ার লিগে লিভারপুলের কাছে ৫-০ গোলে হেরেছিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। এরও আগে ২০১০ সালে লা লিগায় বার্সেলোনার কাছে একই ব্যবধানে ৫-০ গোলে হেরেছিল রিয়াল মাদ্রিদ।
আল আইনের বিপক্ষে ৪-০ হারের রাতে তাই ব্যক্তিগতভাবে গোলহীন থাকার পাশাপাশি রোনালদো দেখলেন আল নাসরে যোগ দেওয়ার পর নিজের সবচেয়ে বড় ব্যবধানের পরাজয়ও।















