‘সন্তান জন্মের পর ওজন বাড়লে ট্রল কেন?’ কটাক্ষকারীদের প্রশ্ন সালমানের
- 1
বায়ার্নেই থাকতে চান হ্যারি কেইন, নতুন চুক্তির পথে বড় অগ্রগতি
- 2
রোনালদোর মতো ৪১ বছর পর্যন্ত ফ্রান্সে খেলা সম্ভব নয়: এমবাপ্পে
- 3
মারায়া কেরিকে পেছনে ফেলে বিলবোর্ডে নতুন রেকর্ড এলা ল্যাংলির
- 4
সাঁতারে ১৭ বছরেই বিশ্ব রেকর্ড, এশিয়ান গেমসে ইতিহাস গড়লেন জাপানের শিন ওহাশি
- 5
ভারতের সবচেয়ে ধনী অভিনেতা শাহরুখ খান, সম্পদের পরিমাণ ১০ হাজার কোটি রুপি

‘সন্তান জন্মের পর ওজন বাড়লে ট্রল কেন?’ কটাক্ষকারীদের প্রশ্ন সালমানের
‘সন্তান জন্মের পর ওজন বাড়লে ট্রল কেন?’ কটাক্ষকারীদের প্রশ্ন সালমানের
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তারকাদের চেহারা, বয়স কিংবা ওজন নিয়ে কটাক্ষ যেন এখন নিত্যদিনের ঘটনা। বিশেষ করে সন্তান জন্মের পর অভিনেত্রীদের শারীরিক পরিবর্তন নিয়ে শুরু হয় নানা ধরনের মন্তব্য। এবার এমন অনলাইন ট্রলিংয়ের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন বলিউড অভিনেতা সালমান খান।
‘বিগ বস ২০’-এর ‘উইকেন্ড কা ভার’ পর্বে অনলাইন ট্রলিং নিয়ে কথা বলতে গিয়ে সালমান প্রশ্ন তোলেন, সন্তান জন্মের পর কোনো নারীর ওজন বাড়লে তাঁকে কেন কটাক্ষ করা হবে।
বর্তমানে ‘বিগ বস ২০’-এর সঞ্চালকের দায়িত্বে থাকা সালমান সম্প্রতি এক প্রতিযোগীকে নিয়ে ইউটিউবার স্কাউটওপির মন্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ট্রলিং সংস্কৃতি নিয়ে কথা বলেন। তাঁর মতে, কাউকে অপমান বা ছোট করে কেউ অর্থ উপার্জন করলে সেটি শুধু তাঁর মানসিকতার নয়, পারিবারিক শিক্ষারও প্রতিফলন।
সালমান বলেন, মানুষের চেহারা, ওজন, পরিবার, ক্যারিয়ারে ব্যর্থতা কিংবা ব্যক্তিগত জীবনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে মন্তব্য করার আগে সবারই ভাবা উচিত। কাউকে নিচে নামিয়ে অর্থ উপার্জন করার মধ্য দিয়ে একজন মানুষ আসলে নিজের বেড়ে ওঠা ও শিক্ষার পরিচয়ই তুলে ধরেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এ প্রসঙ্গেই সন্তান জন্মের পর নারীদের শারীরিক পরিবর্তন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলা কটাক্ষের কথা তোলেন সালমান। কারও নাম উল্লেখ না করলেও তাঁর বক্তব্যের সঙ্গে সম্প্রতি ক্যাটরিনা কাইফকে নিয়ে হওয়া ট্রলিংয়ের যোগসূত্র খুঁজে পেয়েছেন অনেকে।
মুম্বাইয়ের গণেশ উৎসবের একটি অনুষ্ঠানে ক্যাটরিনার উপস্থিতির ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর তাঁর চেহারা ও ওজন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা মন্তব্য করা হয়। সম্প্রতি মা হওয়া অভিনেত্রীর সন্তান জন্মের পর শারীরিক পরিবর্তন নিয়েও শুরু হয় আলোচনা।
সালমানের ভাষায়, কোনো নারী অন্তঃসত্ত্বা হলে বা সন্তান জন্মের পর তাঁর ওজন বাড়লে সেটিকে কটাক্ষের বিষয় বানানোর কারণ নেই। সন্তান ধারণের পর শারীরিক পরিবর্তন স্বাভাবিক এবং পরে কাজে ফিরলে সময়ের সঙ্গে ফিটনেসও ফিরে আসতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
শুধু অন্যদের নয়, নিজের বয়স ও চেহারা নিয়েও কথা বলেন সালমান। ৬০ বছর বয়সে আগের মতো তরুণ চেহারা ধরে রাখার প্রত্যাশার সমালোচনা করে তিনি বলেন, বয়স বাড়ার সঙ্গে মানুষের চেহারায় পরিবর্তন আসবেই। সবসময় ‘ম্যায়নে পেয়ার কিয়া’র সময়কার চেহারা ধরে রাখা সম্ভব নয়।

তারকাদের বয়স বাড়াকে স্বাভাবিকভাবে নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে সালমান আরও প্রশ্ন তোলেন—নিজের চেহারা নিয়ে অসন্তুষ্ট মানুষ কেন অন্যের চেহারা ও ওজন নিয়ে মন্তব্য করতে এতটা আগ্রহী?
পর্বে নিজের বক্তব্য আরও জোরালোভাবে তুলে ধরতে একপর্যায়ে টুপি ও টি-শার্ট খুলে মেকআপ আর্টিস্ট রাজুকে ডাকেন সালমান। এরপর নিজের মেকআপও মুছে ফেলেন তিনি। বয়স ও সময়ের সঙ্গে মানুষের চেহারা বদলে যাওয়াই স্বাভাবিক—এই বার্তাই যেন দিতে চেয়েছেন বলিউড তারকা।














