কলকাতায় নামার আগেই কার্লো আনচেলত্তির গর্জন: ‘ব্রাজিলের অভিধানে প্রীতি ম্যাচ বলে কিছু নেই’
- 1
নেতানিয়াহুর জাতিসংঘ সফরের প্রতিবাদ, সুসান সারান্ডন-হান্নাহসহ শতাধিক গ্রেপ্তার
- 2
এমবাপ্পের গোলে জয়, জিদানের ডাগআউট অভিষেক রাঙাল ফ্রান্স
- 3
শেষ মুহূর্তের গোলে অস্ট্রেলিয়ার জয় কেড়ে নিল ব্রাজিল
- 4
তদন্তের জালে রিজওয়ান, ফোন জব্দ থেকে মিডিয়া নিষেধাজ্ঞা—কোথায় গিয়ে থামবে ঘটনা?
- 5
আফগানিস্তানকে হারিয়ে এশিয়ান গেমসে নেপালের বড় চমক

কলকাতায় নামার আগেই কার্লো আনচেলত্তির গর্জন: ‘ব্রাজিলের অভিধানে প্রীতি ম্যাচ বলে কিছু নেই’
কলকাতায় নামার আগেই কার্লো আনচেলত্তির গর্জন: ‘ব্রাজিলের অভিধানে প্রীতি ম্যাচ বলে কিছু নেই’
কলকাতায় পা রাখার আগেই ভারতের ফুটবল আবেগের উত্তাপ টের পেতে শুরু করেছেন কার্লো আনচেলত্তি। ক্রিকেটের রাজত্বের মাঝেও যে এই শহরে ফুটবলের প্রতি এক অমোঘ টান ও প্রবল উন্মাদনা লুকিয়ে রয়েছে, তা ভালোভাবেই বুঝতে পারছেন পাঁচবারের বিশ্বজয়ীদের ৬৭ বছর বয়সী ইতালিয়ান কোচ। ৩ অক্টোবর সল্টলেকের যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ভারতের মুখোমুখি হওয়ার আগে ৬৭ বছর বয়সী এই হাই-প্রোফাইল কোচ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন—কাগজে-কলমে 'ফ্রেন্ডলি' বা প্রীতি ম্যাচ লেখা থাকলেও, ব্রাজিলের অভিধানে ছাড় দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ৫ নম্বরে থাকা বিশ্ব ফুটবলের এই সফলতম দলটির জন্য এটাই প্রথম ভারত সফর। ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, রাফিনিয়াদের মতো বিশ্বসেরা তারকাদের কাছ থেকে দেখার সুযোগ ঘিরে কলকাতায় এখন ফুটবলের পারদ তুঙ্গে। এর আগে ১৯৭৭ সালে পেলের 'কসমস' কিংবা পরবর্তীতে বিভিন্ন তারকার আগমন ঘটলেও, পূর্ণাঙ্গ ব্রাজিল জাতীয় দলের ভারতের মাটিতে নামা এই প্রথম।

টাইমস অব ইন্ডিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আনচেলত্তি ভারতের ফুটবল সংস্কৃতির প্রতি নিজের মুগ্ধতা প্রকাশ করে জানান, “বিশ্বের সব প্রান্তেই ব্রাজিলের সমর্থক রয়েছে। ভারতে খেলাটা আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের। তবে বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে ১৩৮ নম্বরে থাকা স্বাগতিক ভারতের বিরুদ্ধে লড়াইটিকে হালকাভাবে নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এটি একটি প্রস্তুতি ম্যাচ হলেও, সত্যি বলতে ব্রাজিলের জন্য ‘প্রীতি ম্যাচ’ বলে কিছু হয় না।”
তিনি আরও যোগ করেন, “আমাদের নতুন দেশ ও তাদের ফুটবল সংস্কৃতি সম্পর্কে জানা প্রয়োজন। আন্তর্জাতিক স্তরে বিশ্বের সব ধারার দলের মুখোমুখি হতে হয়। ভারতে প্রথমবার যাওয়ার কথা ভেবে আমি ভীষণ রোমাঞ্চবোধ করছি। বিশ্বমানের প্রতিপক্ষের বিপক্ষে খেলার অভিজ্ঞতা ভারতের হয়তো কম, কিন্তু তারা কীভাবে খেলে তা সরেজমিনে জানা আমাদের জন্যও জরুরি।”
অস্ট্রেলিয়ায় দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলে সরাসরি কলকাতায় পৌঁছাবে ‘সেলেসাও’রা। ৯০ মিনিটের ফুটবলের পাশাপাশি কলকাতার এই ঐতিহাসিক ফুটবল সংস্কৃতি ও নতুন আবহাওয়াকে কাছ থেকে অভিজ্ঞতা করার অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন বিশ্ব ফুটবলের সফলতম এই ডন।












